‘পিলখানার ঘটনা যেন আর না ঘটে সে লক্ষ্যে কাজ করছে বাহিনী’

17
Print Friendly, PDF & Email

সিনিয়র করসপন্ডেন্ট, ঢাকা:
দীর্ঘ ১১ বছর শোক বয়ে বেড়ানো স্বজনদের বুকের জমিনে এখনো শুধুই রক্তক্ষরণ। ২০০৯ সালে রাজধানীর পিলখানায় ইতিহাসের নির্মমতম হত্যাকাণ্ডে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ প্রাণ হারানো ৭৪ জনের পরিবারের সদস্যরা চোখের জলে স্মরণ করলেন প্রিয়জনদের। বিজিবির মহাপরিচালক বললেন, এমন ঘটনা আর যাতে না ঘটে সে লক্ষ্যে কাজ করছে বাহিনীটি।

একটা কান্না মিশে থাকা সকাল। স্মৃতিতে ১১ বছর আগের দুঃসহ এক স্মৃতি। যেদিন মধ্য ফাগুনের পলাশের রং নয়, বরং রক্তে লাল হয়ে গিয়েছিলো পিলখানার ২৭০ বিঘা সবুজ জমিন। ক্যালেন্ডারের পাতায় ১১ বছর মানে ৪ হাজার ১৮ দিন, অনেকের কাছে দীর্ঘ বেদনার পথ হেঁটে যাওয়া লম্বা একটা সময়। অনেক দূরে চলে যাওয়া স্বজনদের স্মৃতিগুলো তবু যেন কত কাছে!

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে শহীদ সেনা কর্মকর্তার পরিবারের সদস্যরা কোরআন তেলাওয়াত, কবর জিয়ারত, মোনাজাতের মাধ্যমে স্মরণ করে হঠাৎ ছবি হয়ে যাওয়া প্রিয় মানুষটিকে। নিহতদের প্রতি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

এদিকে, হত্যা মামলার হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায় এলেও আক্ষেপ স্বজনদের কন্ঠে। চান, পুরো ঘটনার পেছনে দায়ীরা শনাক্ত হোক।

এ ঘটনার পর নাম ও পোশাক, দুটোই পাল্টেছে বাহিনীটি। তিলে তিলে অর্জন হচ্ছে সিপাহী ও কর্মকর্তাদের মধ্যে আস্থা।

এ ঘটনা আর যেন পুনারাবৃত্তি না হয় সেটির লক্ষ্যে কাজ চলছে বলে জানান বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাফিনুল ইসলাম।

পরিবারের সদস্যদের দাবি, দিনটিকে শহীদ সেনা দিবস ঘোষণা করা হোক।