অ্যাপসে ধান কেনায় সাফল্য

17
Print Friendly, PDF & Email

নওগাঁ থেকে করসপন্ডেন্ট:
প্রথমবার অ্যাপসের মাধ্যমে ধান সংগ্রহে নওগাঁয় কৃষকের কাছ থেকে ভাল সাড়া মিলেছে-এমনই দাবি জেলার খাদ্য বিভাগের। ধান সংগ্রহে গতি বৃদ্ধি ও হয়রানি দূর করতে আধুনিক এ প্রক্রিয়া ব্যবহারকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন কৃষকরা। অ্যাপসের ব্যবহারে কৃষকের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতসহ স্বচ্ছতা বাড়বে বলে আশাবাদ খাদ্যমন্ত্রীর।

গত ২২ নভেম্বর থেকে কৃষকের কাছ থেকে এক হাজার ৪০ টাকা মণ দরে ধান সংগ্রহের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করে নওগাঁ জেলা খাদ্য বিভাগ। ধানের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত ও সংগ্রহে গতি আনতে এবারই প্রথম ১৬ জেলার সদর উপজেলায় চালু করা হয় কৃষক অ্যাপস পদ্ধতি। মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে এসএমএস প্রক্রিয়ায় আবেদন নিয়ে কৃষক চূড়ান্ত করা হয়। আধুনিক এ প্রক্রিয়া অনুসরণে অনেকটা হয়রানি কমেছে বলে মনে করেন কৃষকেরা।

তবে আধুনিক এ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করা ও মোবাইলে বাংলায় এসএমএস দেয়ার দাবি কৃষকদের।

কৃষকরা বলেন, লটারিতে আপনার নাম উঠছে, আপনারা ধান সংরক্ষণ করুন। এই কথাগুলা যদি মেসেজে সুন্দর করে লিখত তাহলে ভালো হতো।

কৃষকের ভালো সাড়া পাওয়ার কারণে হয়রানি রোধ ও স্বচ্ছতা বাড়বে মনে করছে খাদ্য বিভাগ।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাজের হাসান বলেন, সারা বাংলাদেশে যদি সম্ভব হয় তাহলে কৃষকের ধান নিয়ে স্বচ্ছতার বিষয়টি নিশ্চিত হবে।

প্রকৃত কৃষকের কাছে ধানের ন্যায্য মূল্য পৌঁছাতে আধুনিক এ পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি বলেন, অ্যাপসের মাধ্যমে গেলে কৃষক নিজেই জানতে পারবে যে সে কতটুকু ধান বিক্রি করবে। সেখান থেকে লটারিতে আমরা কতখানি নিতে পারব সেটা দেখা যাবে।

চলতি আমন সংগ্রহ মৌসুমে নওগাঁয় ২০ হাজার টন ধান সংগ্রহ করবে খাদ্য বিভাগ। যার মধ্যে ১ হাজার টন ধান অ্যাপসের মাধ্যমে নেয়া হচ্ছে।