জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে উৎসাহ- উদ্দীপনায় ময়মনসিংহে কাউন্ট ডাউন

26
Print Friendly, PDF & Email

খালেদ খুররাম পারভেজ, ময়মনসিংহ:
বিপুল উৎসাহ, উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে ময়মনসিংহে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের জন্মশতবাষির্কী উদযাপন শুরু হলো, জনকের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে কাউন্ট ডাউন ডিভাইস উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে।

কেন্দ্রীয় কর্মসুচির অংশ হিসেবে বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর ময়মনসিংহ নগরীর টাউন হল মোড়ে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্কয়ারের পাশে সিটি কপো্রেশনের উদ্যোগে স্থাপিত এ কাউন্ট ডাউনটি শতশত মুজিব ভক্ত, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারী ও উৎসুক নানা বয়সী জনতার উপস্থিতি রঙবেরঙের বেলুন উড়িয়ে উদ্বোধন করেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার খন্দকার মোুস্তাফিজুর রহমান।

এ সময় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও সাবেক ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা ও সাংসদ নাজিম উদ্দিন আহমেদ, সাংসদ মনিরা সুলতানা মনি, সিটি মেয়র ইকরামুল হক টিটু, ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার নিরঞ্জন দেবনাথ, এবিএম লোকমান হোসেন, জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম খোকা, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল এবং মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

এ উপলক্ষে একটি সুসজ্জিত মঞ্চ তৈরি করা হয়। বিকেল ৩টা থেকে দলীয় নেতাকর্মীসহ নানা বয়সের মানুষ বেলুন ও বঙ্গবন্ধুর ছবি সংবলিত পোস্টার নিয়ে শ্লোগানে শ্লোগানে এলাকা মুখরিত করে সুসজ্জিত মঞ্চের সামনে উপস্থিত হয়। প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উদ্বোধনসহ কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান বড় স্ক্রিনে ঢাকা থেকে সরাসরি প্রদর্শন করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর ভাষন শুরুর সাথে সাথে উপস্থিত দর্শক-শ্রোতা আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠে। মুজিববর্ষের এ কর্মসুচিকে নিয়ে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নগরীর বিভিন্ন রাস্তাঘাট পরিস্কার- পরিচ্ছন অভিযান, বিশেষ নাগরিক সেবা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

অনুষ্ঠানে এসেছিলেন মুকুল নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী মাহমুদা বেগম।তিনি বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণা করে বড় হতে চাই। চাই আমার মতো অন্যান্য শিক্ষার্থীরা নিজেদেরকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করে দেশকে আলোকবর্ষের পথে এগিয়ে নিয়ে যাক।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদুজ্জামান খান বলেন, বঙ্গবন্ধুর ডাকে অস্ত্রহাতে দেশকে মুক্ত করতে যুদ্ধ করেছিলাম। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল সোনার বাংলা গড়ার। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সোনার বাংলা গড়ার কাজে আমিও কাজ করে যাচ্ছি। এ ধরনের কর্মসুচি গ্রহণ করায় প্রধানমন্ত্রীকে তিনি অভিনন্দন জানান।

সাত বছরের শিশু বাবার সাথে অনুষ্ঠান দেখতে এসে তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, বাবা-মার কাছে শুনেছি বঙ্গবন্ধু এইদিনে নিজ দেশে ফিরে এসেছিলেন। সেই দৃশ্য দেখার জন্যই এখানে এসেছি। শুনেছি বঙ্গবন্ধু শিশুদেরও খুব ভালোবাসতেন এবং আদর করতেন।