ফরেনসিক পরীক্ষায় ঢাবি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের আলামত মিলেছে

11
Print Friendly, PDF & Email

সিনিয়র করসপন্ডেন্ট, ঢাকাঃ
রাজধানীর কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সেই শিক্ষার্থীর ধর্ষণের আলামত মিলেছে বলে জানিয়েছেন ঢামেক হাসপাতালের ফরেসনসিক চিকিৎসক বিভাগীয় প্রধান সোহেল মাহমুদ।

তিনি বলেন, ওই শিক্ষার্থীর শরীরে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। সেগুলো পরীক্ষার জন্য ডিএনএ ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে। কারণ ধর্ষণের ঘটনায় এক না একাধিক ব্যক্তি জড়িত তা নিশ্চিত হতে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন—ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন।

ঢামেক পরিচালক বলেন, ‘মেয়েটির মেন্টালি ট্রমা ছাড়াও শারীরিক কিছু আঘাত রয়েছে। পাশাপাশি সে কিছু সমস্যার কথা উল্লেখ করেছে এবং আমরাও কিছু সমস্যা চিহ্নিত করেছি। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তাকে চিকিৎসা দিচ্ছে। এই অবস্থায় তার সঙ্গে দেখা করা, কথা বলা তার জন্য অস্বস্তিকর। কেউ যেন আমরা তার কাছে না যাই।’

ধর্ষণের আলামতের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ধর্ষণের বিষয়টি ঢামেকের ফরেনসিক বিভাগ দেখছে। পাশাপাশি তাকে ঢামেকের নাক-কান-গলা বিভাগ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তার যেহেতু শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, সেজন্য রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগসহ আরও কিছু বিভাগের ডাক্তারদের নিয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এই বোর্ডের প্রধান করা হয়েছে গাইনি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক সালমা রবকে।’

এর আগে, রবিবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে ধর্ষণের শিকার ওই শিক্ষার্থী শেওড়ায় বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঢাবির বাসে ওঠেন। সন্ধ্যা ৭টার দিকে কুর্মিটোলায় বাস থেকে নামার পর অজ্ঞাত ব্যক্তি তার মুখ চেপে ধরলে অজ্ঞান হয়ে যান তিনি। পরে তাকে পার্শ্ববর্তী একটি স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনাটি সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে ঘটে। এরপর ১০টার দিকে জ্ঞান ফিরলে তিনি নিজেকে নির্জন স্থানে আবিষ্কার করেন। পরে তিনি রিকশায় করে বান্ধবীর বাসায় গিয়ে বিষয়টি তাদের জানান। পরে তার সহপাঠীরা রাত ১২টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করান।