অস্ট্রেলিয়ার দাবানলে প্রশান্তির বৃষ্টি

13
Print Friendly, PDF & Email

ইন্টারন্যাশনাল নিউজ ডেস্কঃ
অস্ট্রেলিয়ার দাবানল কবলিত এলকায় হয়েছে স্বস্থির বৃষ্টি, কমেছে তাপমাত্রাও। সিডনি শহর থেকে শুরু করে মেলবোর্ন পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূল জুড়ে শীতল বৃষ্টিপাত হয়েছে। নিউ সাউথ ওয়েলস অঙ্গরাজ্যের কয়েকটি অংশে মৌসুমী বৃষ্টিপাতেরও খবর পাওয়া গেছে। তবে পুনরায় আ’গুনের ধ্বং’সযজ্ঞ শুরু হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন দেশটির কর্মকর্তারা। রবিবার রাতে কর্মকর্তারা পূর্বাভাস দিয়েছেন, আগামী বৃহস্পতিবার নাগাদ তাপমাত্রা ফের বাড়তে পারে।

গত সেপ্টম্বর থেকে শুরু হওয়া এই দাবানল সম্প্রতি মারা’ত্মক আকার ধারণ করেছে। দাবানল কবলিত এলকায় থাকা হাজারো মানুষ চলে এসেছে উপকূলীয় এলাকায়। নিউ সাউথ ওয়েলস ও ভিক্টোরিয়া অঙ্গরাজ্যের এখন পর্যন্ত ২৪ জন মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের আ’শঙ্কা এই দাবানলে প্রায় ৫০ কোটি প্রাণি মা’রা গেছে। দাবানল কবলিত অঞ্চলে বৃষ্টিপাত হলেও তাপমাত্রা বাড়লে ভিক্টোরিয়া ও নিউ সাউথ ওয়েলসে আবারও বড় ধরনের দাবানল তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন কর্মকর্তারা।

সোমবার সকালে নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রিমিয়ার গ্লাডিস ব্রেজিকলিয়ান বলেছেন, ‘আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই।’ এদিকে দাবানন কবলিত এলাকার হাজারো বাসিন্দাদের কাছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে অস্ট্রেলিয়া কর্তৃপক্ষ। নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রিমিয়ার গ্লাডিস ব্রেজিকলিয়ান বলেন, ‘আজ সকালে সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ হলো উদ্ধার তৎপরতা, নিশ্চিত করত হবে যে বাস্তুচ্যুত হয়ে থাকা মানুষের নিরাপদ আছে।

সোমবার সকালে ওই এলাকা দুটি থেকে সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়। তবে ভিক্টোরিয়ার করিয়োং এবং নিউ সাউথ ওয়েলসের কসিউজকো ন্যাশনাল পার্কের দুটি স্থানে আগুন জ্বলছে। নিউ সাউথ ওয়েলসের রুরাল ফায়ার কমিশনার শেন ফিটজসিমনস বলেছেন, এই আগুনের নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে যেতে পারে। প্রসঙ্গত, অস্ট্রেলিয়ায় গ্রীষ্মকালে তাপদাহের কারণে জঙ্গলে দাবানল পরিলক্ষিত হয়। স্থানীয়ররা একে বলে থাক বুশাফায়ার। বুশফায়ার কতটা মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে তা টেলিভিশনের পর্দায় মাঝে মাঝে উঠে আসে।

কখনো কখনো সরকারিভাবে বিমান থেকে বিশেষ তরল মিশ্রণ ঢেলে আ’গুন নেভানোর চেষ্টাও করা হয়। তবে সে প্রচেষ্টা সব সময় সফল হয় না। একমাত্র প্রবল বৃষ্টিপাতেই এসব আগুন শান্ত হয়।