‘পুরনো মামলায় কাউন্সিলর প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ার অনুরোধ’

12
Print Friendly, PDF & Email

সিনিয়র করসপন্ডেন্ট, ঢাকা:
পুরনো মামলায় কাউন্সিলর প্রার্থীদের বিরুদ্ধে নতুন করে ব্যবস্থা না নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা যুগ্ম সচিব আবদুল বাতেন।

শনিবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গোপীবাগে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

আবদুল বাতেন বলেন, অনেক আগের মামলা পুনরুজ্জীবিত করে এখন কোনো আদেশ বা ব্যবস্থা নেয়া হলে তা অনাকাঙ্ক্ষিত হবে। তবে ফৌজদারি মামলা হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাবে।

এর আগে বিএনপির একজন কাউন্সিলর প্রার্থীকে গ্রেপ্তার এবং আরেকজন কাউন্সিলর প্রার্থীকে হুমকি দেয়ার বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিএনপির মনোনীত মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন।

লিখিত অভিযোগ জমা দেয়ার পর ইশরাক বলেন, পুরোনো মামলায় কাউন্সিলর প্রার্থীদের হয়রানি না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেনকে।

ডিএসসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, পুরোনো মামলায় শাস্তি বা পরোয়ানা হয়ে থাকলে তফসিল ঘোষণার আগেই পদক্ষেপ নেয়া উচিত ছিল। এখন পুরোনো মামলায় নতুন করে ব্যবস্থা নেয়া হলে তা ঠিক হবে না। নির্বাচনের পর ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। তবে যদি এমন হয় ফৌজদারি মামলা আছে, তা নির্বাচনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়, সেটা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া যাবে।

বিএনপি প্রার্থীর লিখিত অভিযোগ জমা দেয়া প্রসঙ্গে আবদুল বাতেন বলেন, লিখিত অভিযোগ তারা পরীক্ষা করে দেখবেন, মামলার বিস্তারিত না দেখে মন্তব্য করা ঠিক না।

এদিকে, ডিএসসিসির মেয়রপ্রার্থী হিসেবে যে ৭ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন, যাচাই-বাছাইয়ের পর তাদের সবার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

ডিএসসিসির মেয়র প্রার্থীরা হলেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত শেখ ফজলে নূর তাপস, বিএনপির ইশরাক হোসেন, জাতীয় পার্টির হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, ইসলামী আন্দোলনের মো. আবদুর রহমান, এনপিপির বাহরানে সুলতান বাহার, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. আকতার উজ্জামান ওরফে আয়াতুল্লা ও গণফ্রন্টের আব্দুস সামাদ সুজন।

এছাড়া এ সিটি নির্বাচনে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪৬০ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১০২ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। সব মিলিয়ে এ সিটিতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন ৫৬৯ জন।

জানা গেছে, ৫ জানুয়ারির মধ্যে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল করা যাবে। আপিল কর্তৃপক্ষ হিসেবে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারকে নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন।

ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৯ জানুয়ারি, প্রতীক বরাদ্দ ১০ জানুয়ারি। ভোটগ্রহণ হবে ৩০ জানুয়ারি।