যানজটে নাকাল ঢাকাবাসী, যা বললেন মেয়র প্রার্থীরা

14
Print Friendly, PDF & Email

স্পেশাল করসপন্ডেন্ট, ঢাকা:
ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনকে সামনে রেখে আবারও আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেছেন যানজটে নাকাল নগরবাসী। হাজারো সমস্যার জটে আটকে থাকা ঢাকাবাসীর প্রত্যাশা যানজটের কবল থেকে মুক্তি দিতে কাজ করবেন নবনির্বাচিতরা। প্রার্থীরাও তাদের প্রতিশ্রুতিতে প্রাধান্য দিচ্ছেন বিষয়টিকে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাস্তবায়নই হবে বড় চ্যালেঞ্জ।

দিনের শুরু অথবা শেষভাগ। রাজধানীজুড়ে এমন স্থবিরতার চিত্র নিত্যদিনের। গবেষণা বলছে, একযুগ আগেও রাজধানীতে যানবাহনের গড় গতি ছিল ঘণ্টায় ২১ কিলোমিটার। যা কমতে কমতে বর্তমানে নেমেছে মাত্র পাঁচ কিলোমিটারে। যা একজন সুস্থ সবল মানুষের হাঁটার গতির প্রায় সমান। শুধু প্রধান সড়কই নয়, যত্রতত্র রিকশা, অটো, হিউম্যান হলারের মতো যানবাহনের বিশৃঙ্খলা আর বেপরোয়া চলাচলে যানজটের কবল থেকে রেহাই পায় না গলিপথও।

যাত্রীরা বলেন, এমন অনেক রাস্তায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানযট থাকে। ভার্সিটি বনানীতে, সে জন্য থাকতে হচ্ছে বনানীতে। রাস্তায় এমন সমস্যা না হলে এত টাকা দিয়ে বনানী থাকতে হতো না।

দিনে দিনে গতি হারানো এ শহর খুঁজছে সমাধানের পথ। নতুন বছরের শুরুতেই নির্বাচন, তাইতো আবারও স্বপ্ন দেখছেন নগরবাসী।

যাত্রীরা বলেন, এটা ঢাকার সবচেয়ে বড় সমস্যা। এটা ভয়াবহ বিষয়।

মেয়র প্রার্থীরাও বলছেন, নির্বাচিত হলে যানজট সমস্যার সমাধানই পাবে বাড়তি গুরুত্ব।

আওয়ামী লীগের দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, যানজটের বিষয়ে আমরা মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করব। এর আগেও উত্তরের প্রয়াত মেয়র আনিসুল হক যে পরিকল্পনা নিয়েছিলেন তা বাস্তবায়নের বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হবে।

বিএনপির দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন বলেন, আমি যদি জয়ী হয় তাহলে যানজট নিয়ে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নেব।

এদিকে, অতিমাত্রায় প্রতিশ্রুতি না দিয়ে বাস্তবতার নিরিখে সমন্বিত উদ্যোগ নেয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

নগর পরিবহন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মো. শামসুল হক বলেন, সমন্বয় থাকাটা খুবই জরুরি। যে সমস্যাগুলো আছে তা সমাধানের জন্য আমি সমন্বয় করব।

আগামী ৩০ জানুয়ারি ঢাকার দুই সিটিতে অনুষ্ঠিত হবে ভোট।

বছরের পর বছর যানজটে নাকাল নাগরিকদের ভোগান্তি কমাতে রাজধানীতে চলমান বেশ কয়েকটি মেগা প্রকল্প। জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর জন্য যোগ্য নেতা দরকার।