‘ব্যবসা নয়, ব্যবসায়ীদের সুবিধা দিতেই চেষ্টা করছে সরকার’

12
Print Friendly, PDF & Email

স্পেশাল করসপন্ডেন্ট, ঢাকা:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ব্যবসা করতে নয়, বরং ব্যবসায়ীদের সুবিধা দিতেই বর্তমান সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে।
আগামী বছর (২০২১) থেকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা রাজধানীর পূর্বাচলে হবে বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (১ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ২৫তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ সব কথা বলেন তিনি।

এ সময় রপ্তানি আয় আরও বাড়ানোর ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে এখন অর্থনৈতিক কূটনীতি চালানোর সময় এসেছে। এ সময় প্রতিবেশী দেশগুলোতে রপ্তানি বাড়াতে অবকাঠামোগত নানা উদ্যোগ নেয়ার কথা তুলে ধরেন সরকার প্রধান।

রপ্তানি বাড়াতে বিভিন্ন সংস্কারমূলক উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সারাবিশ্বে প্রবৃদ্ধির হার কমে এলেও ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি বাড়ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তৃণমূলের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নতি করাই সরকারের সব উন্নয়নের লক্ষ্য।
ব্যবসা সম্প্রসারণের মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বদেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ সময় তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে মানুষ সুফল পেতে শুরু করেছিল। দুর্ভাগ্য ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের সবাইকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো। আমরা দুই বোন ছাড়া পরিবারের সবাইকে হারালাম। ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের জন্য একটি কালো দিন। এ ঘটনায় বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাও থেমে গেল। তিনি যে স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যেতে চেয়েছেন। সেই অনুযায়ী দেশ এগিয়ে যায়নি।

শেখ হাসিনা বলেন, ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ সরকার দেশ গঠন করে। তারপর থেকে আমার চেস্টা করেছি কীভাবে দেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ করা যায়। কিন্ত আমি জানি একটি দেশকে যদি উন্নত করতে হয়। তার জন্য ব্যবসা বাণিজ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে সরকার।

এবারের মেলায় গতবারের তুলনায় ১৪৭টি স্টল কমিয়ে ৪৮৩টি নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বছর ইলেক্ট্রনিক্স, ফার্নিচার, খাদ্যপণ্য, গৃহস্থালী পণ্য, পোশাক, প্রসাধনী, চামড়াজাত পণ্য, পাটপণ্য নিয়ে দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো অংশ নিয়েছে। এবার বিশ্বের ২৩টি দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশ নিচ্ছে। মেলায় পণ্যের গুণগত মান রক্ষাসহ খাবারের দাম নিয়ন্ত্রণে মনিটরিং করা হবে।