মধুর ক্যান্টিনে ককটেল, ছাত্রলীগ-ছাত্রদলের কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি

10
Print Friendly, PDF & Email

ঢাবি করসপন্ডেন্ট, ঢাকা:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে ককটেল ছোড়ার ঘটনায় একে অপরকে দায়ী করেছেন ছাত্রলীগ ও ছাত্রদল। ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বলছেন, ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করার জন্যই এ কাজ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট মধুর ক্যান্টিনের পশ্চিম পাশের প্রবেশ পথে পড়ে থাকা ককটেলটি নিষ্ক্রিয় করে। এর আগে বেলা পৌনে ১১টার দিকে মধুর ক্যান্টিনের সামনে আচমকা একটি ককটেল ছোড়ে কে বা কারা।
এ সময় মধুর ক্যান্টিনে অবস্থান করছিলেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। তবে ঘটনার পরপরই ক্যাম্পাস ছেড়ে যান তারা। পরে মধুর ক্যান্টিনে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর। ঘুরে দেখেন ঘটনাস্থল, কথা বলেন গণমাধ্যমের সঙ্গে।

ঢাবির প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রাব্বানী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস অশান্ত করা, শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত করার যে প্রক্রিয়া চলছে তার একটি নমুনা দেখলেন। এগুলো যারা করছে তাদের অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে।’

এদিকে, এ ঘটনার জন্য ছাত্রদলকে দায়ী করেন ছাত্রলীগ নেতারা। তবে দায় অস্বীকার করে ছাত্রদল।

ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ আরিফ হোসেন জানান, কিছুক্ষণ আগেও ছাত্রদলের ছাত্ররা এখানে অবস্থান করছিল। ঘটনাটি ঘটার কিছু সময় পর এখান থেকে সংঘবদ্ধভাবে বেরিয়ে গেছেন।

ঢাবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম রাকিব বলেন, ‘ডাকসুতে যে ঘটনা ঘটেছে সেটা ভিন্নখাতে নিতেই এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।’

পুলিশ বলছে, পুরো বিষয় তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

এদিকে, ডাকসু ভিপি নূরসহ অন্যদের ওপর হামলার বিচার দাবিতে ক্যাম্পাসে মিছিল করেছে প্রগতিশীল ছাত্র জোট।