আজও সর্বনিম্ন তাপমাত্র তেঁতুলিয়ায়

8
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ করসপন্ডেন্ট, ঢাকাঃ
অনলাইন ডেস্ক: শৈত্য প্রবাহ কেটে গেলেও কাটছে না কুয়াশা। সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকছে চারদিক। বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরআগে বুধবার মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও ছিল তেঁতুলিয়ায়, ৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিকে, হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা। রোববার থেকে আবারো শৈত্য প্রবাহের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রাজধানীসহ সারাদেশে এখনো সকাল এবং সন্ধ্যায় কুয়াশায় ঢাকা থাকছে। ভোগান্তি কমেনি ছিন্নমূল শ্রমজীবী মানুষের। হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা। রোববার থেকে আবারো শৈত্য প্রবাহের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

হিমালয়ের হিম বাতাসের প্রভাব দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। বুধবার জেলার তেঁতুলিয়ায় ছিল মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস । চলতি শীত মৌসুমে এখন পর্যন্ত এটাই সর্বনিু। আজও (বৃহস্পতিবার) সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

মৃদু শৈত্যপ্রবাহ কেটে গেলেও শীতের প্রকোপ কমেনি উত্তরের জনপদ রংপুরে। গাইবান্ধা ও লালমনিরহাটে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও দুর্ভোগে ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা ও ঘাঘট নদী বেষ্টিত ১৬৫টি চরের জন জীবন।

যশোরের হাসপাতাল ও ক্লিনিগুলোতে গত কয়েকদিনে ভর্তি হয়েছে প্রায় ১০০ শিশু। শহরের পুরাতন কাপড়ের মার্কেট ও লেপ তৈরির দোকানে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে।

শীত আর ঘন কুয়াশায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছে রাজশাহী, ফরিদপুর, মাগুরাসহ বিভিন্ন এলাকার শ্রমজীবি মানুষ । শিশু ও বৃদ্ধরা নিউমোনিয়া ,জ¦র ও কাশিতে আক্রান্ত হচ্ছে ।