নগরপিতার দৌড়ে কারা, আ.লীগ বলছে চমক আছে

36
Print Friendly, PDF & Email

সিনিয়র করসপন্ডেন্ট, ঢাকা:
ঢাকার নগরপিতা হওয়ার দৌড়ে কারা এগিয়ে-ঢাকার অলিগলিতে এখন সেই গুঞ্জন। উত্তরে বর্তমান মেয়রের নাম জোরালোভাবে শোনা গেলেও, দক্ষিণে মেয়র পদের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় উঠে আসছে অনেক নাম। বিএনপির নীতি নির্ধারকরা বলছেন, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী প্রার্থী দেবেন তারা। তবে ক্ষমতাসীন দল থেকে এসেছে চমকের আভাস।

শীতের নগরে উত্তাপ ছড়াচ্ছে ভোটের হাওয়া। দুই নগরপিতা নির্বাচন করবেন রাজধানীবাসী। মাঠের লড়াইয়ের আগে এখন নীরবে চলছে ঘরের লড়াই। বড় দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ আর বিএনপির প্রার্থী হচ্ছেন কারা আপাতত গুঞ্জন তা নিয়েই।

উত্তরে বর্তমান মেয়র আতিকুল ইসলামের শক্ত কোনো প্রতিপক্ষ না থাকায় দলীয় মনোনয়নে অনেকটা এগিয়ে তিনি। চেয়ে আছেন সবুজ সংকেতের দিকে। এখানে বিএনপিরও বলতে গেলে একক প্রার্থী গত দুই দফায় নির্বাচনে লড়াই করা তাবিথ আউয়াল।

জানতে চাইলে উত্তরে বর্তমান মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘হাইকমান্ড দেখছে। কাজের বিচার বিশ্লেষণের মাধ্যমে মনোনয়ন বোর্ড ঠিক করবে কে মনোনয়ন পাবেন।’

এদিকে, দক্ষিণে বিএনপি থেকে আসতে পারেন নতুন মুখ। সাবেক মেয়র খোকাপুত্র এরই মধ্যে শুরু করেছেন মাঠে নামার প্রস্তুতি। চূড়ান্ত না হলেও এ তরুণেই আস্থা রাখছে দলটি। তবে জমে উঠেছে আওয়ামী লীগের মনোনায়ন প্রত্যাশীর দৌড়। মেয়র সাঈদ খোকন এরই মধ্যে জানিয়েছেন দ্বিতীয় মেয়াদেও মনোনায়ন প্রত্যাশী তিনি।

নগরজুড়ে পোস্টারে পোস্টারে প্রত্যাশার কথা জানান দিয়েছেন আওয়ামী লীগের নতুন কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক নজিবুল্লাহ হিরু। শোনা যাচ্ছে সাবের হোসেন চৌধুরী আর ফজলে নূর তাপসের নামও। এখন সবাই তাকিয়ে মনোনায়ন বোর্ডের সিদ্ধান্তের দিকেই।
ডিএসসিসিতে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ইশরাক হোসেন বলেন, ‘দলের হাইকমান্ড থেকে যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল আমি সে লক্ষ্যে কাজ করে চলেছি।’

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী কাজী মো. নজিবুল্লাহ হিরু বলেন, ‘বিভিন্ন অদক্ষতা দেখে মনে আসলো সিটি কর্পোরেশনের একজন ভালোভাবে কাজ করার লোক দরকার।’

দলের হাই কমান্ড বলছেন যাচাই বাছাই শেষে যোগ্য প্রার্থীর হাতেই দেয়া হবে টিকিট।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘চমক আছে। জনগণ গ্রহণ করবে এমন প্রার্থীকেই আমরা মনোনয়ন দেব।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা আছে, দলের প্রার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা, শিক্ষা সব বিবেচনা করেই মনোনয়ন দেয়া হবে।’

এদিকে, জোটের শরিক জাতীয় পার্টিও জানিয়েছে এককভাবেই নির্বাচন করবে তারা। তাহলে লড়াইটা হতে পারে ত্রিমুখী।