পর্যটক হয়রানির অভিযোগে আটলান্টিক ক্রুজের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

19
Print Friendly, PDF & Email

কক্সবাজার থেকে করসপন্ডেন্ট:
টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে চলাচলকারী “আটলান্টিক ক্রুজ” নামে একটি পযর্টকবাহী জাহাজকে পর্যটক হয়রানির অভিযোগে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেলে উপজেলার হ্নীলার দমদমিয়া (বিআইডব্লিউটিএ) বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ নৌবন্দরে এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযুক্ত পযটকবাহী জাহাজটি ইঞ্চিন নষ্ট হয়ে পড়ার পরও জাহাজ কর্তৃপক্ষ টিকেট বিক্রয় করে পর্যটকদের হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে। টেকনাফ উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি মো. আবুল মনসুরের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নৌ-পুলিশের (ওসি) মো. আব্দুল্রাহ, নৌ-বন্দরের ট্রপিক কমকতা জহির উদ্দিন ভূইয়া, অপারেটর মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রমূখ।

আবুল মনসুর জানান, টেকনাফে দমদমিয়া ঘাট থেকে সেন্টমার্টিন নৌপথে দৈনিক বতমানে ৮টি পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল করে আসছে। কিন্তু এরমধ্যে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ ও নৌপুলিশে সহযোগিতায় জাহাজগুলোর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে গত বুধবার একটি বৈঠক করা হয়েছিল। সে বৈঠকে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন, পর্যটক হয়রানি ও পর্যাপ্ত লাইফ জ্যকেট রাখা নির্দেশনা দিয়ে সতর্ক করা হয়। এ আদেশ অমান্য করায় আজ অভিযান চালানো হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন জানায়, গত ১ নভেম্বর থেকে কেয়ারি ক্রুজ অ্যান্ড ডাইন, আটলান্টিক ক্রুজ, এমভি ফারহান, কেয়ারি সিন্দাবাদ, এমভি দোয়েল, গ্রীণ-লাইন-১, বে-ক্রুজ ও এমভি পারিজাত নামে ৮টি জাহাজকে আগামী বছরের ৩০ মার্চ পর্যন্ত চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এমভি শহীদ সালাম নামে আরও একটি জাহাজ অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে।

টেকনাফের ইউএনও সাইফুল ইসলাম বলেন, এ নৌপথে চলাচলকারী জাহাজগুলো ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাইয়ের বিষয়টি প্রতিদিন তদারক করা হচ্ছে। কোনো জাহাজ কর্তৃপক্ষ আদেশ অমান্য করলে সঙ্গে সঙ্গে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গত বছর অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন ও যাত্রী হয়রানি অভিযোগে ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছিল।