দুর্নীতির দায় নিয়ে সরকার খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবে ভাবা আহম্মকী: গণপূর্তমন্ত্রী

10

সিনিয়র করসপন্ডেন্ট, ঢাকা:
জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী অসমাপ্ত সবকিছুই করা হবে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শুক্রবার সাভারস্থ জাতীয় স্মৃতিসৌধে ‘মহান বিজয় দিবস ২০১৯’ উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক কাজের সর্বশেষ অগ্রগতি পরিদর্শন করেন তিনি।

এ সময় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আমিনুল ইসলাম খান ও ইয়াকুব আলী পাটওয়ারী, গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ সাহাদাত হোসেনসহ গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মহান বিজয় দিবসকে সামনে রেখে জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রস্তুতি কাজের অগ্রগতি নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ সর্বস্তরের মানুষ যাতে যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারেন, সেজন্য জাতীয় স্মৃতিসৌধকে পরিপূর্ণভাবে প্রস্তুত করার জন্য আমরা কাজ করছি। ইতোমধ্যেই প্রস্তুতি কাজ ৯৫ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। বাকী কাজও অতিশীঘ্রই সম্পন্ন হবে। বলা যায়, জাতীয় স্মৃতিসৌধ গোটা জাতির শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য এখন প্রস্তুত।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম বলেন, খালেদা জিয়া দুর্নীতির দায়ে কারাদণ্ড পেয়েছেন। তার দুর্নীতির দায় নিয়ে সরকার তাকে মুক্ত করে দেবে একথা ভাবা আহম্মকী ও আইনের পরিপন্থী।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার আইনের শাসনে বিশ্বাস করে। ফলে কোনভাবেই দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে সরকার সাহায্য করার প্রশ্নই উঠে না। তাছাড়া বিষয়টি সর্বোচ্চ আদালতের বিবেচনায় রয়েছে। এ মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার প্রতিপক্ষ স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন। এক্ষেত্রে সরকারকে অভিযুক্ত করা একবারেই অযৌক্তিক। বিএনপি রাজনৈতিকভাবে এখন দেউলিয়া। এই বিএনপিকে দিয়ে দেশে কিছুই হবে না।

মন্ত্রী স্মৃতিসৌধের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং প্রস্তুতি কাজের বিভিন্ন বিষয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, প্রতিবছর মহান বিজয় দিবসে জাতির শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়াধীন গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে জাতীয় স্মৃতিসৌধকে নতুন সাজ-সজ্জা ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে প্রস্তুত করা হয়।