‘কোনো মেডিকেল প্রতিবেদনেই স্বাস্থ্যের অবনতি পাওয়া যায়নি’

8
Print Friendly, PDF & Email

সিনিয়র করসপন্ডেন্ট, ঢাকা:
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আদালতে প্রেরিত ৩টি মেডিকেল প্রতিবেদনে তাঁর স্বাস্থ্যের তেমন কোনে পরিবর্তন চোখে পড়েনি বলে জানান অ্যার্টনি জেনারেল মাহবুবে আলম।

বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত বিএনপির চেয়ারপার্সনের জামিন আবেদনের শুনানি শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, বেগম জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ করে উন্নত চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।

অ্যার্টনি জেনারেল বলেন, ২০১৮, ২০১৯ সালে ও গতকাল যে মেডিকেল প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে সেখানে তার স্বাস্থ্যের তেমন কোনো পরিবর্তন চোখে পড়েনি।
মাহবুবে আলম বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের তিনটি স্বাস্থ্য প্রতিবেদন এখন পর্যন্ত দেখেছি। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়নি।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষতে অনুমতি দেননি। আপিল বিভাগ বলেছেন- খালেদা যদি রাজি থাকলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে, জামিন আবেদন খারিজের মধ্যদিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কামরুল ইসলাম।
জামিন আবেদনের খারিজ শেষে তিনি আরো বলেন, এতিমের টাকা আত্মসাৎ করে রাষ্ট্রের একজন প্রধান নির্বাহী হিসেবে তিনি যে কাজগুলো করেছেন যথাযথভাবে এ কনভেকশন। এ কনভেকশন উচ্চ আদালত হাইকোর্টেও এটা বহাল আছে ও সুপ্রিম কোর্টের আপিল ডিভিশনেও এটা বহাল থাকবে বলে আশা করি। অহেতুক সময় নষ্ট না করে সংবিধানে যে ধারা আছে মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা, সেই পথে এগুলে তারা সবচেয়ে ভালো করবেন বলে আমার মনে হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আরেক আইনজীবী বলেন, মেডিকেল বোর্ড গঠন ও রিপোর্ট প্রদান করার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। সেই রিপোর্টে এসেছে, খালেদা জিয়া তার মেডিকেল চেকআপে সহযোগিতা করছেন না।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া আপিল বিভাগেও জামিন পাননি। এই মামলায় তার জামিনের আবেদন খারিজ করেছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ছয় সদস্যের আপিল বিভাগে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের ওপর শুনানি হয়। শুনানি শেষে এ আদেশ দেন আদালত।