বেরোবিতে ভর্তি পরীক্ষায় দুর্নীতির অভিযোগে তোলপাড়

7
Print Friendly, PDF & Email

নিউজবিটুয়েন্টিফোর.কম রংপুর:
ভর্তি পরীক্ষায় দুটি ইউনিটে পাশই করতে পারেননি। অথচ আরেকটি ইউনিটে তার অবস্থান, প্রথম। তাই ভর্তিচ্ছু ওই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে উঠেছে, দুর্নীতির অভিযোগ। যা নিয়ে তোলপাড় চলছে রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে। এ ঘটনায় গঠন করা হয়েছে তদন্ত কমিটি। তাদের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত ওই শিক্ষার্থীর ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে।


রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের চলতি শিক্ষাবর্ষের বি ইউনিটের তৃতীয় শিফটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয় ১৯ নভেম্বর।

এতে প্রথম স্থান অধিকার করেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক ইমরানা বারীর ছোট বোন মিশকাতুল জান্নাত। অথচ “এ” এবং “এফ” ইউনিটে অংশ নিয়ে নূন্যতম নম্বরও পাননি এই শিক্ষার্থী।

এ নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয় পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ে। সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়ে রেজিস্ট্রার বরাবর দরখাস্তও দেন শিক্ষকরা। এর প্রেক্ষিতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তদন্ত রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত ঐ শিক্ষার্থীর ভর্তি কার্যক্রম স্থগিতের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র তাদিউর রহমান বলেন, যদি ঘটনা প্রমানিত হয় তাহলে অন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে এজন্য তার ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়েছে।

শুধু এ শিক্ষার্থীই নয়, বি-ইউনিটের তৃতীয় শিফটের ভর্তি কার্যক্রম সাময়িক স্থগিতের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষকরা।

রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. গাজী মাজহারুল আনোয়ার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা রক্ষাতে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরণের ঘটনা আরোও ঘটেছে কিনা ? বা এটাতেই কি ঘটনা ঘটেছে এটুকু জানার জন্য সঠিক তদন্ত দরকার।

রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক খায়রুল কবীর সুমন বলেন, এটা নিয়ে পূনাঙ্গ তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত, তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত যেন ভর্তি বন্ধ রাখা হয়।

এ বিষয়ে মিশকাতুল জান্নাতের বড় বোন প্রভাষক ইমরানা বারী ভাবমূর্তি নষ্টের ষড়যন্ত্র দাবি করেন। তিনি বলেন, এই রেজাল্ট যদি অন্য যে কারো হতো তাহলে এটা নিয়ে এত কিছু হতো না।

কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার সদস্য সচিব জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিষয়ে বক্তব্য দেয়ার এখতিয়ার নেই তার।

নিকট আত্মী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিলে সংশ্লিষ্ট ইউনিটে লিখিতভাবে জানানোর নিয়ম থাকলেও তা করেননি ইমরানা বারী।