নিয়মিত মাছ খেলে ক্যান্সার ঘেঁষবে না

12
Print Friendly, PDF & Email

লাইফস্টাইল ডেস্ক রিপোর্ট:
মাছ প্রাণিজ প্রোটিনের খুব ভালো একটা উৎস। পাশাপাশি ৯ অ্যামাইনো অ্যাসিডের সমাহার আছে মাছে। প্রোটিন প্রতি কোষে পুষ্টি জোগাতে সহযোগিতা করে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে। এছাড়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়।

এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে অন্য প্রাণিজ প্রোটিনের মতো মাছে খারাপ ফ্যাট থাকে না যার ফলে, কোলেস্টেরল বাড়ে না। বরং, মাছ থেকে মেলে ওমেগা ৩ ফ্যাট। যা হৃদরোগ রোধ দেয়। এর মধ্যে থাকা ট্রাইগ্লিসারিড কোলেস্টেরল বাড়তে দেয় না। সঙ্গে থাকা ৯টি অ্যাসিড শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। অ্যালজাইমার্স কমিয়ে স্মরণশক্তি বাড়ায়। প্রচুর ওমেগা ৩ অ্যাসিড পাবেন টুনা, স্যামন, সার্ডিন, ম্যাকারেল, ট্রাউট মাছে। এগুলি ডিমেনশিয়া, ডায়াবেটিসও রুখে দেয়।

মাছের মধ্যে থাকা ভিটামিন ডি হাড়-দাঁত মজবুত করে। কমায় ডায়াবেটিস টাইপ ১। প্রতিদিন খাওয়ার তালিকায় মাছ থাকলে হাড়ের ক্ষয়, ব্রেস্ট-কোলন-প্রসেস্ট ক্যান্সার আপনার ধারেপাশে ঘেঁষবে না। এর মধ্যে থাকা ভিটামিন বি২ শিশুদের বাড়বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

মাছ থেকে মেলে আয়রন যা রক্তস্বল্পতা কমাতে সাহায্য করে। শরীরের তাপমাত্রা ধরে রাখে। এনার্জি বাড়ায়। জিঙ্ক রোগ প্রতিরোধে যেমন সাহায্য করে তেমনি শরীরে থাকা এনজাইম ভেঙে পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে। এতে অন্ত্র ভালো থাকে। গর্ভস্থ সন্তানের মস্তিষ্ক বিকাশের জন্য আয়োডিন অতি জরুরি। এছাড়া, শিশুর থাইরয়েড গ্রন্থির ক্ষরণ, ঝটপট কথা বলায় সাহায্য করে এই খনিজ। গলগণ্ড রোগ হতে দেয় না।

ম্যাগনেশিয়াম ক্যালসিয়ামকে হজম করতে সাহায্য করে। তাতে হাড়-দাঁতে সহজেই পৌঁছতে পারে ভিটামিন সি। এবং মজবুত হয় সেগুলি। শক্ত রপে হৃদপেশি। হাইপারটেনশন বা ব্লাডপ্রেসার কমাতেও সাহায্য করে এই খনিজ। শরীরের কোষ পুষ্ট করে পটাশিয়াম। ব্লাডপ্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখে। কিডনিতে স্টোন হতে দেয় না। চট করে হাড় ভাঙতে দেয় না।